মূল বিষয়বস্তুতে যান
কান্তজীউ মন্দির, সুন্দরপুর ইউনিয়ন, কাহারোল, দিনাজপুর
যাচাইকৃতঐতিহ্যবাহী

কান্তজীউ মন্দির, সুন্দরপুর ইউনিয়ন, কাহারোল, দিনাজপুর

Kantajew Temple

প্রতিষ্ঠিত1704৬২বার দেখা হয়েছে১সংরক্ষিত
দিকনির্দেশনা

দর্শনের আগে

সুন্দরপুর ইউনিয়ন, কাহারোল, দিনাজপুর

তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ ১ নভে ২০২৬

বিবরণ

কান্তজীর মন্দির বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় ঢেঁপা নদীর তীরে অবস্থিত একটি প্রাচীন সনাতনী হিন্দু মন্দির। এটি মূলত এর অসাধারণ ও নিখুঁত টেরাকোটা (পোড়ামাটির) শিল্পের জন্য দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। মন্দিরের বাইরের দেয়ালগুলোতে পোড়ামাটির ফলকের মাধ্যমে রামায়ণ, মহাভারত এবং শ্রীকৃষ্ণের জীবনের (কৃষ্ণলীলা) বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী খুব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মন্দিরটির বেইজ বা ভিত্তি বেশ মজবুত। এটি মূলত একটি 'নবরত্ন' বা নয়টি চূড়া বিশিষ্ট মন্দির হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু ১৮৯৭ সালের এক প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে এর সবগুলো চূড়া ভেঙে যায়। বর্তমানে চূড়াবিহীন অবস্থাতেই এটি টিকে আছে।

ইতিহাস

তৎকালীন দিনাজপুরের জমিদার মহারাজা প্রাণনাথ রায় ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দে (মতান্তরে ১৭০২) এই মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী রুক্মিণীর প্রতি ভক্তি নিবেদন করে একটি অনন্য স্থাপনা তৈরি করা। তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ১৭২২ সালে মহারাজা প্রাণনাথ মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর, তাঁরই শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর পালিত পুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরের নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেন। এই মন্দিরটি শুধু ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং আঠারো শতকের বাংলার লোকশিল্প, সংস্কৃতি এবং কারিগরদের দক্ষতার এক জীবন্ত দলিল।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে প্রথমে বাস বা ট্রেনে দিনাজপুর শহরে পৌঁছাতে হবে। দিনাজপুর শহর থেকে কান্তজীর মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। শহরের যেকোনো জায়গা থেকে লোকাল বাস, সিএনজি বা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করে সরাসরি কাহারোল উপজেলার কান্তনগরে যাওয়া যায়। ঢেঁপা নদী পার হওয়ার একটা ব্যাপার থাকতে পারে, তবে এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা বেশ ভালো।

নভেম্বর থেকে মার্চ মাস (শীতকাল) এখানে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। আবহাওয়া তখন বেশ আরামদায়ক থাকে। তবে তুমি যদি একদম লোকাল ভাইব আর সংস্কৃতি এক্সপ্লোর করতে চাও, তবে রাস পূর্ণিমার সময় (সাধারণত নভেম্বর মাসে) যাওয়াটা বেস্ট। তখন মন্দিরের পাশে মাসব্যাপী বিশাল রাস মেলা বসে, যা বাংলার লোকজ ঐতিহ্যের এক চমৎকার প্রদর্শনী।

দেবতাগণ

ভ্রমণ তথ্য

প্রবেশ মূল্যফ্রি
পার্কিংআছে
ফটো অনুমতিহ্যাঁ
জুতা রাখার ব্যবস্থা
হুইলচেয়ার সুবিধা

অবস্থান ও মানচিত্র

দিকনির্দেশনা পান ↗

কান্তনগর রোড (কাহারোল), কান্তনগর, সুন্দরপুর, সুন্দরপুর ইউনিয়ন, কাহারোল, দিনাজপুর

এলাকাসুন্দরপুর ইউনিয়ন, কাহারোল, দিনাজপুর
পাড়া/মহল্লাকান্তনগর, সুন্দরপুর
রাস্তাকান্তনগর রোড (কাহারোল)
কাছের স্থানধেপা নদী
পোস্ট কোড5226

সময়সূচী ও রীতিনীতি

মঙ্গল আরতী

প্রতিদিনভোর ৫:৪০ - সন্ধ্যা ৬:০০

দৈনিক আরতি

যে উৎসবগুলো এখানে হয়

কমিটি সদস্য

P

Pingla

Pingku

মতামত

এখনো কোনো উত্তর নেই

এই বিষয়ে প্রশ্ন করুন →

এই প্রোফাইলটি ৯০% সম্পূর্ণ

সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করুন

তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ ১ নভে ২০২৬

এই তথ্য কি সঠিক?

স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিন

আমাদের ডিজিটাল ঐতিহ্য রক্ষায় সাহায্য করুন। আপনার এলাকার মন্দিরের তথ্য, ছবি বা পঞ্জিকা আপডেট করে আমাদের সাথে যুক্ত হোন।

আবেদন করুন
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হোন

নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবক আবেদন স্বেচ্ছাসেবক ড্যাশবোর্ড থেকে করা যায়।

পরিচালনা পর্ষদ

দ
দেবাশীষ দাস
নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবক

খোলার সময়

এখনো খোলার সময় যোগ করা হয়নি।

অ্যাপে এই মন্দির

মন্দিরটি সঙ্গে রাখুন, এক ছোঁয়ায় আবার খুঁজে পান।

  • সেভ করুন, গেলে চেক-ইন করুন
  • আরতি আর প্রসাদের সময় এক নজরে
  • দৈনিক পঞ্জিকা ও উৎসবের বার্তা
ডাউনলোড করুনGoogle Play

সাধারণ প্রশ্ন

কান্তজীউ মন্দির কোথায়?

কান্তজীউ মন্দির-এর ঠিকানা: কান্তনগর রোড (কাহারোল), কান্তনগর, সুন্দরপুর, সুন্দরপুর ইউনিয়ন, কাহারোল, দিনাজপুর।

কান্তজীউ মন্দির-এর কাছে পরিচিত জায়গা কোনটি?

সবচেয়ে কাছের পরিচিত জায়গা: ধেপা নদী।

কান্তজীউ মন্দির-এ আরতি কখন হয়?

আরতি হয় প্রতিদিন ভোর ৫:৪০।

কান্তজীউ মন্দির-এ কোন দেবদেবীর পূজা হয়?

এখানে পূজিত দেবদেবী: রুক্মিণী, শ্রী কৃষ্ণ।

কান্তজীউ মন্দির-এ কোন কোন উৎসব পালিত হয়?

এখানে পালিত উৎসব: শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা, বিপদতারিণী পূজা, মনসা পুজা, রাখীবন্ধন, শুভ জন্মাষ্টমী, লোকনাথ বাবার আবির্ভাব তিথি, শুভ মহালয়া, শারদীয় দুর্গাপূজা, কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, শ্যামাপূজা (কালীপূজা), ভাইফোঁটা (ভ্রাতৃদ্বিতীয়া), সরস্বতী পূজা, মহা শিবরাত্রি, দোল পূর্ণিমা / হোলি।