কালীর পুষ্পাঞ্জলি ও প্রণাম মন্ত্র
অর্থ: হে কালী, মহাকালী, পাপহারিণী, ধর্ম ও কাম্য দাও যে দেবী, হে নারায়ণী, তোমায় প্রণাম। প্রণামে: সব মঙ্গলের মঙ্গল, কল্যাণময়ী, সব অভীষ্ট পূর্ণ করো যে, শরণ্যা, ত্রিনয়না গৌরী নারায়ণী, তোমায় প্রণাম।
ওঁ কালি কালি মহাকালি কালিকে পাপহারিণি।
ধর্ম্মকামপ্রদে দেবি নারায়ণি নমোহস্তুতে॥
প্রণাম মন্ত্র:
ওঁ সর্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে।
শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি নমোহস্তুতে॥
ভূত চতুর্দশী থেকে ভাইফোঁটা: কোন দিন কী
চার দিনের রীতি, পঞ্জিকার তারিখে।
- ২০ কার্তিক, শনিবার (৭ নভেম্বর), সন্ধ্যা: ভূত চতুর্দশীর চোদ্দ প্রদীপ, ঘরের দরজা, কোণ ও দেবস্থানে। (প্রচলিত লোকাচার)
- ২১ কার্তিক, রবিবার (৮ নভেম্বর), সকাল: বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকায় চতুর্দশী থাকতে, সকাল ১১টা ১৮ মিনিটের মধ্যে, চোদ্দ শাক ও ভূতচতুর্দশীর কৃত্য।
- সন্ধ্যা: ঘর, উঠান ও ছাদে প্রদীপ বা মোমবাতি; অনেকে শ্মশানে প্রয়াত স্বজনের উদ্দেশে প্রদীপ দেন। প্রদোষে দীপান্বিতা লক্ষ্মী ও অলক্ষ্মী পূজা।
- রাত: মন্দির বা মণ্ডপে পূজা; ঢাকায় নিশীথকাল রাত ১১টা ১৬ মিনিট থেকে ১২টা ৮ মিনিট (দৃক্ গণনা)। যাঁরা উপবাস রাখেন, তাঁরা অঞ্জলির পর উপবাস ভাঙেন।
- ২৪ কার্তিক, বুধবার (১১ নভেম্বর): ভাইফোঁটা।
দীপাবলির রাতে কয়েকটি কথা
নিরাপত্তা, সময়সূচি ও ছুটি।
- প্রদীপ ও মোমবাতি পর্দা, কাপড় ও শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখুন; শ্মশান ও মন্দিরের ভিড়ে আগুন থেকে সাবধান।
- ২০২৬ সালের মন্দিরের সময়সূচি এখনো প্রকাশিত হয়নি; যাওয়ার আগে মন্দির থেকে জেনে নিন।
- ৮ নভেম্বর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐচ্ছিক ছুটি, সাধারণ ছুটি নয়।
- পরিবারের নিজস্ব রীতি থাকলে সেটিই আগে মানুন।
ধ্যানমন্ত্র ও শ্যামা নাম
ধ্যানের প্রথম শ্লোক, অর্থসহ।
করালবদনাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাম্।
কালিকাং দক্ষিণাং দিব্যাং মুণ্ডমালাবিভূষিতাম্॥
অর্থ: ভয়ংকর মুখ, খোলা কেশ, চার হাত; দিব্য দক্ষিণাকালী, মুণ্ডমালায় ভূষিতা। এই ধ্যানেই পরে দেবীকে বলা হয়েছে "মহামেঘপ্রভাং শ্যামাং", মহামেঘের মতো শ্যামবর্ণা: শ্যামা নাম সেখান থেকে।
পুরো ধ্যানমন্ত্র নানা গ্রন্থে নানা পাঠে ছাপা; এখানে শুধু প্রথম শ্লোক, যা দুটি স্বতন্ত্র সূত্রে হুবহু মেলে। পূর্ণ পাঠের জন্য পরিবারের পুরোহিত দর্পণ দেখুন।