মূল বিষয়বস্তুতে যান

মন্দির দূত

মন্দিরের তথ্য দিয়ে আয় করুন

গ্রামের সর্বজনীন মন্দির, পারিবারিক মন্দির, আশ্রম ও আখড়া মিলিয়ে হাজারো মন্দির এখনও মন্দিরবিডিতে নেই। মন্দির দূত হিসেবে আপনি সেগুলো খুঁজে বের করবেন, সরেজমিনে যাবেন, অ্যাপ থেকে তথ্য যোগ করবেন, আর প্রতিটি অনুমোদিত মন্দিরের জন্য সম্মানী পাবেন।

প্রতি মন্দিরে সাধারণত ৳২–৳২০

যেভাবে কাজ করে

  1. ধাপ ১

    নেই এমন মন্দির খুঁজুন

    অ্যাপের কভারেজ গাইড আর “আগে দেখে নিন” মানচিত্রে মিলিয়ে নিন, মন্দিরটি মন্দিরবিডিতে আগে থেকে নেই।

  2. ধাপ ২

    সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ

    মন্দিরে যান, কমিটি বা পুরোহিতের সঙ্গে কথা বলুন; বিগ্রহ, উৎসব ও ইতিহাস জেনে নিন।

  3. ধাপ ৩

    অ্যাপ থেকে জমা দিন

    পাঁচটি ছোট ধাপে অন্তত ৩টি ছবি, কমিটির যোগাযোগ ও বিস্তারিত তথ্য দিন।

  4. ধাপ ৪

    সম্মানী পান

    পর্যালোচক মন্দিরটি অনুমোদন করে অঙ্ক ঠিক করেন। ১৪ দিন পর তা উত্তোলনযোগ্য হয়।

নিয়মাবলি

  • শুধু মন্দিরবিডিতে আগে থেকে নেই এমন মন্দিরের জন্যই সম্মানী।
  • মন্দিরের অন্তত ৩টি স্পষ্ট ছবি।
  • কমিটি বা পুরোহিতের নাম ও ফোন নম্বর। তাঁদের সম্মতি ছাড়া নম্বরটি প্রকাশ হয় না।
  • অনুমোদিত অঙ্ক ১৪ দিন অপেক্ষমাণ থাকে; ৳৫০০ হলেই উত্তোলন করা যায়।
  • আপনার প্রথম ৫টি মন্দির কেন্দ্রীয় দল পর্যালোচনা করে।
  • ভুয়া মন্দির, অন্যের ছবি বা আগে থেকে থাকা মন্দির জমা দিলে স্ট্রাইক; ৯০ দিনে তিনটি স্ট্রাইক হলে অ্যাকাউন্ট স্থগিত হয়।

প্রশ্নোত্তর

কারা আবেদন করতে পারেন?

মন্দিরবিডি অ্যাকাউন্ট ও যাচাই করা ফোন নম্বর আছে এবং নিজের এলাকার মন্দির চেনেন, এমন যে কেউ। অনুমোদনের আগে আমরা প্রত্যেক আবেদনকারীকে ফোন করি।

একটি মন্দিরের জন্য কত পাওয়া যায়?

মন্দিরের ধরন, এলাকা আর আপনার তথ্য কতটা পূর্ণ, তার ওপর নির্ভর করে। জমা দেওয়ার আগে অ্যাপ একটি আনুমানিক অঙ্ক দেখায়; চূড়ান্ত অঙ্ক ঠিক করেন পর্যালোচক।

একই মন্দির অন্য কেউ জমা দিলে?

যেটি আগে অনুমোদন পায়, সেটিই সম্মানী পায়। অন্যটি বাতিল হয়, তবে কোনো স্ট্রাইক হয় না।

সম্মানী কীভাবে পাব?

নিজের নামের বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। অ্যাপ থেকে উত্তোলনের অনুরোধ করুন; লেনদেন নম্বরসহ রসিদ পাবেন।

স্ট্রাইক কী?

ভুয়া মন্দির, অন্যের তোলা ছবি বা আগে থেকে থাকা মন্দির জমা দিলে স্ট্রাইক হয়। ৯০ দিনে তিনটি স্ট্রাইক হলে অ্যাকাউন্ট স্থগিত হয় এবং অপেক্ষমাণ অঙ্ক আটকে যায়।