
Janmashtami
সর্বশেষ
শুক্র, ৪ সেপ্টেম্বর
কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী ব্রত পূজা বিধি ও মন্ত্র ২০২৫
২০২৬
শুক্র, ৪ সেপ্টেম্বর
এখনো কোনো উত্তর নেই
এই বিষয়ে প্রশ্ন করুন →
শ্রী কৃষ্ণ
মন্দির দেখুন →
শুভ জন্মাষ্টমী সর্বশেষ শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পালিত হয়েছিল।
ঢাকার ধামরাইয়ের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির ও পূরণ ঢাকার শ্রী শ্রী রাধা মাধব মন্দিরে জন্মাষ্টমী উৎসব ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়। এছাড়া পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দিরেও বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়।
ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মধ্যরাতের ঠিক পূর্ব মুহূর্তকে সবচেয়ে পবিত্র সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ এটিই হল শ্রীকৃষ্ণের জন্মক্ষণ।
উপবাস সূর্যোদয় থেকে শুরু হয়ে পরদিন সূর্যোদয় পর্যন্ত চলবে। এ সময় ফলমূল, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ করা যায়। তবে লবণবিহীন খাবার গ্রহণের প্রচলন রয়েছে।
মন্দিরগুলোতে মধ্যরাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় বিশেষ আরতি, নামসংকীর্তন, ভজন-কীর্তন, এবং পরদিন নন্দোৎসব পালন করা হয়। অনেক স্থানে শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও থাকে।
পরদিন সকালে সূর্যোদয়ের পর প্রথমে শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে প্রসাদ গ্রহণ করে তবেই উপবাস ভাঙা হয়। সাধারণত ফলমূল, দুধ ও মিষ্টান্ন জাতীয় খাবার দিয়ে ভাঙা হয়।
শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় মিষ্টান্ন হিসেবে পঞ্চামৃত, মাখন, মিছরি, ক্ষীর, লাড্ডু, জলভরা সন্দেশ ইত্যাদি প্রস্তুত করা হয়। এছাড়া চন্দন, তুলসীপাতা ও ফুলের প্রসাদও দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে প্রাচীনকাল থেকেই শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব পালিত হয়ে আসছে। বিশেষত বৃন্দাবনচন্দ্র মঠ, ঢাকেশ্বরী মন্দির ও অন্যান্য ঐতিহাসিক মন্দিরগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে।
শ্রীকৃষ্ণের জীবনী বর্ণনাকারী শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের দশম স্কন্দ, শ্রীকৃষ্ণের স্তোত্র, এবং গীতা থেকে বিশেষ অংশ পাঠ করা হয়। এছাড়া নামসংকীর্তনে ভক্তিগীতিও গাওয়া হয়।
মন্দিরগুলোতে একবার ব্যবহৃত প্লাস্টিক এড়িয়ে বাঁশ ও খড়ের তৈরি সামগ্রী ব্যবহার করা হয়। আলোকসজ্জায় এলইডি লাইট ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ভক্তরা শ্রীকৃষ্ণের উদ্দেশ্যে 'কৃষ্ণাষ্টমী ব্রত' পালন করেন। এতে উপবাস, নামসংকীর্তন, শ্রীকৃষ্ণের স্তোত্র পাঠ এবং পরদিন প্রসাদ গ্রহণ অন্তর্ভুক্ত থাকে।