Skip to main content
তথ্য উপাত্ত

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার ফর্দ: সম্পূর্ণ উপকরণ তালিকা

দদেব দেবাশীষ
October 14, 2026
8 min read
0

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার ফর্দে মূল জিনিস অল্পই: ঘট, মাটি, ধান, সিঁদুর, আমপল্লব, ফুল, দূর্বা, আতপ চাল, চন্দন, গঙ্গাজল বা পরিষ্কার জল, ধূপ, প্রদীপ, ঘটের ওপর একটি কাঁঠালি কলা বা হরীতকী, নারায়ণের জন্য দুটি তুলসীপাতা আর নৈবেদ্য। রাত জাগার জন্য চিঁড়া, নারকেল ও ডাব রাখুন। পুরোহিত দিয়ে পূর্ণ পূজা করালে দশকর্ম ভাণ্ডার থেকে আরও কিছু জিনিস লাগে।

নিচের তালিকা প্রতি বছরের কোজাগরি পূর্ণিমায় কাজে লাগবে। পরিমাণগুলো একটি ছোট ঘরোয়া পূজার আন্দাজ মাত্র, নিয়ম নয়; পরিবারের রীতি আর পুরোহিতের পরামর্শমতো কমবেশি করে নিন। কোনটা শাস্ত্রীয়, কোনটা প্রচলিত লোকাচার আর কোনটা আঞ্চলিক বা পারিবারিক রীতি, তা জায়গামতো বলা আছে।

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার সংক্ষিপ্ত ফর্দ

পুরোহিত ছাড়া বাড়িতে পূজা করলে এটুকুই যথেষ্ট। তালিকাটি পুরোহিত দর্পণ ধারার প্রচলিত ঘরোয়া বিধি অনুযায়ী।

  • ঘট, মাটির বা তামার
  • মাটি ও ধান, ঘট বসানোর জন্য
  • সিঁদুর
  • আমপল্লব: বিজোড় পাতার একটি ডাল
  • ফুল
  • দূর্বা
  • দুটি তুলসীপাতা, শুধু নারায়ণের জন্য
  • একটি কাঁঠালি কলা অথবা একটি হরীতকী, ঘটের ওপর রাখার জন্য
  • চন্দন
  • আতপ চাল
  • গঙ্গাজল বা পরিষ্কার জল
  • একটি ছোট তামার পাত্র, সূর্যকে জল দেওয়ার জন্য
  • ধূপ
  • প্রদীপ
  • নৈবেদ্য: বাতাসা, ফল, নাড়ু
  • রাতের জন্য চিঁড়া, নারকেল ও ডাব

রাতের চিঁড়া-নারকেলের কথা শাস্ত্র ও পঞ্জিকাতেই আছে। বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকায় কোজাগরী রাতে নারকেলসহ চিঁড়া খাওয়া, নারকেলের জল পান আর রাত জাগার বিধান ছাপা আছে। শব্দকল্পদ্রুমের “কোজাগর” অংশের একটি শ্লোকেও নারকেল আর চিঁড়া পিতৃপুরুষ ও দেবতাদের নিবেদন করে আত্মীয়দের সঙ্গে ভাগ করে খাওয়ার কথা আছে।

পূর্ণ ফর্দ: দশকর্ম ভাণ্ডার থেকে কী কিনবেন

এই তালিকা দোকানে দেখালেই চলবে। পরিমাণ শুধু আন্দাজ হিসেবে দেওয়া; ছোট পূজায় এর চেয়ে কম হলেও অসুবিধা নেই।

  • সিঁদুর: এক কৌটো
  • আতপ চাল: এক পোয়া (২৫০ গ্রাম); আলপনা দিলে আলাদা করে আরও কিছুটা
  • ধান: এক মুঠো, সঙ্গে কয়েকটি ধানের শিষ
  • কড়ি: পাঁচটি
  • পঞ্চশস্য: অল্প
  • হলুদ: অল্প
  • পান-সুপারি: কয়েকটি করে
  • চন্দন: অল্প, বাটা চন্দন বা চন্দনকাঠ
  • ধূপ: এক প্যাকেট
  • প্রদীপ: দুটি বা তিনটি, সঙ্গে সলতে ও ঘি
  • মুদ্রা বা টাকা: একটি

পুরোহিত দিয়ে পূর্ণ পূজা করালে নিচের জিনিসগুলোও লাগে। কতটা লাগবে, আগেই পুরোহিতের কাছে জেনে নিন:

  • পূর্ণপাত্র
  • দই, মধু, ঘি ও চিনি
  • পঞ্চগুঁড়ি, পঞ্চগব্য ও পঞ্চরত্ন
  • দর্পণ
  • লক্ষ্মীর শাড়ি ও নারায়ণের ধুতি

কিছু দশকর্ম তালিকায় লোহাও থাকে। লক্ষ্মীপূজায় লোহা দূরে রাখার প্রচলিত লোকাচার আছে, তাই আমাদের তালিকায় লোহা রাখা হয়নি।

লক্ষ্মী পূজার ঘটে কী কী লাগে

প্রচলিত বিধিতে মাটি ও ধানের ওপর ঘট বসানো হয়। ঘটের গায়ে সিঁদুরে স্বস্তিক, মুখে আমপল্লব, তার ওপর একটি কাঁঠালি কলা বা হরীতকী, সঙ্গে ফুল। সেই হিসাবে ঘটের জিনিস:

  • ঘট: একটি, মাটির বা তামার
  • মাটি ও ধান: এক মুঠো করে
  • জল: গঙ্গাজল, না থাকলে পরিষ্কার জল
  • সিঁদুর: স্বস্তিক আঁকার জন্য
  • আমপল্লব: একটি ডাল, বিজোড় পাতা
  • কাঁঠালি কলা বা হরীতকী: একটি
  • ফুল: এক-দুটি
  • সশীষ ডাব ও ঘট ঢাকার গামছা: পুরোহিত দিয়ে পূজা হলে

দেবীকে কোন রূপে বসাবেন, সেটা আঞ্চলিক ও পারিবারিক রীতি। কেউ প্রতিমা আনেন, কেউ ঘট, ছবি বা পটে পূজা করেন। বাংলাদেশের অনেক পরিবারে লক্ষ্মীর সরা চলে; বাংলাপিডিয়ায় সরার চারটি ধারার উল্লেখ আছে: ঢাকাই, ফরিদপুরী, সুরেশ্বরী ও গণকী।

আড়ি লক্ষ্মী করলে লাগবে বেতের ঝুড়ি বা কুনকে, নতুন ধান, লাল কাপড় আর দুটি সিঁদুর কৌটো। কলার বেড় করলে কলাগাছের খোলের গোল বেড়ের ভেতরে পঞ্চশস্য রেখে ওপরে একটি সবুজ ডাব বসানো হয়; গড়ন পরিবারভেদে আলাদা। কোথাও কলার খোল দিয়ে সাতটি নৌকা বানিয়ে সপ্ততরী সাজানো হয়। পুরোহিতরা বলেন, কোনো নির্দিষ্ট রূপ বাধ্যতামূলক নয়।

ফুল, পাতা ও মালা কতটা লাগবে

  • ফুল: পূজার জন্য, আর অঞ্জলির জন্য পরিবারের প্রত্যেকের হাতে দেওয়ার মতো। অঞ্জলি এক, তিন বা পাঁচবার দেওয়া হয়; সেই হিসাবে নিন।
  • আলাদা চারটি ফুল: প্রচলিত ঘরোয়া বিধিতে নারায়ণ, ইন্দ্র, কুবের ও পেঁচাকে একটি করে ফুল দেওয়া হয়।
  • দূর্বা: এক আঁটি। প্রচলিত রীতিতে পাঁচালি পড়ার সময় শ্রোতারা হাতে দূর্বা রাখেন, তাই একটু বেশি রাখুন।
  • তুলসীপাতা: দুটি, নারায়ণের জন্য।
  • কলাপাতা: নৈবেদ্য সাজানোর জন্য কয়েকটি।
  • মালা: প্রতিমা, সরা বা ছবির জন্য একটি; ঐচ্ছিক।

তুলসী লক্ষ্মীর ঘটে দেওয়া হয় না, নারায়ণকে দেওয়া হয়। এটি প্রচলিত লোকাচার; এর কারণ হিসেবে অনেকে পুরাণের কিছু কাহিনির কথা বলেন, যেখানে তুলসী ও লক্ষ্মীকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখানো হয়েছে।

সাদা ফুল দেওয়া যাবে না, এমন কথাও শোনা যায়। এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্র পাওয়া যায়নি; পরিবারভেদে রীতি আলাদা।

ফল ও নৈবেদ্যের তালিকা

  • ফল: কলাসহ পাঁচ রকম, প্রতিটি এক-দুটি করে
  • নাড়ু: নারকেল নাড়ু ও তিলের নাড়ু
  • চিঁড়ার মোয়া
  • খই ও মুড়কি
  • বাতাসা
  • চিঁড়া ও নারকেল: রাতে পরিবারের সবাই মিলে খাওয়ার মতো
  • ডাব: অন্তত একটি

উপবাস প্রচলিত, তবে বাধ্যতামূলক নয়। যাঁরা রাখেন, তাঁরা পূজার পরে চিঁড়া আর নারকেল বা ডাবের জল দিয়ে উপবাস ভাঙেন। তাই চিঁড়া, নারকেল আর ডাব একটু বেশি রাখা ভালো।

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর ভোগের বাজার

ভোগের কোনো বাঁধা তালিকা নেই। প্রচলিত পদের মধ্যে আছে খিচুড়ি, লাবড়া, পাঁচ রকম ভাজা, পায়েস, লুচি, সুজি ও চাটনি। যে কয়টি পদ রাঁধবেন, সেই অনুযায়ী বাজার করুন:

  • খিচুড়ি: চাল ও ডাল
  • লাবড়া ও পাঁচ রকম ভাজা: কয়েক রকম মৌসুমি সবজি
  • পায়েস: দুধ, আতপ চাল ও চিনি
  • লুচি ও সুজি: ময়দা, সুজি, ঘি ও চিনি

নিরামিষ না আমিষ, সেটা আঞ্চলিক ও পারিবারিক রীতি। পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ পরিবারে দিনটি নিরামিষ। ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশালের বাঙাল পরিবারে ভোগে মাছ দেওয়ার রীতি আছে, অনেকে জোড়া ইলিশ দেন। কিন্তু ২০২৬ সালে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ, আর পূজা পড়েছে এই সময়ের মধ্যেই। তাই এ বছর অন্য মাছ বা নিরামিষ ভোগ দিন।

আলপনা ও পূজার সাজের জিনিস

আলপনা হয় চালের পিটুলিতে: আতপ চাল জলে ভিজিয়ে বেটে নিলেই হয়। দরজা থেকে ঘরের ভেতরে দেবীর আসন আর ধানের গোলা পর্যন্ত লক্ষ্মীর পা আঁকা হয়; চারপাশে ধানের ছড়া, পদ্ম, পেঁচা ও কড়ির নকশা। এ সবই প্রচলিত লোকাচার।

  • জলচৌকি বা পিঁড়ি: একটি, দেবীর আসনের জন্য
  • লাল কাপড়: আসন ঢাকার মতো এক টুকরো
  • পূজার পাত্র: মাটি বা তামার; লোহা বা স্টিল নয় (প্রচলিত লোকাচার)
  • শাঁখ: একটি। পূজায় শাঁখ বাজে আর উলুধ্বনি হয়; ঘণ্টা বা কাঁসর বাজানো হয় না (প্রচলিত লোকাচার), তাই ঘণ্টা কেনার দরকার নেই।
  • লক্ষ্মীর ঝাঁপি ও পেঁচার মূর্তি: ঐচ্ছিক
  • পাশা: ঐচ্ছিক। শাস্ত্রে রাত জাগার সঙ্গে অক্ষক্রীড়া, অর্থাৎ পাশা খেলার কথা আছে। এটি পরিবারের মধ্যে মজা করে খেলার জন্য; টাকা-পয়সা বাজি রেখে কখনো নয়।

হোম করলে বাড়তি যা লাগে

প্রচলিত ঘরোয়া পদ্ধতির ধাপে হোম নেই। পুরোহিত হোম করলে এগুলো লাগবে; পরিমাণ তাঁর কাছেই জেনে নিন:

  • কাঠ
  • বালি
  • ঘি
  • বেলপাতা

কোনো জিনিস না পেলে কী করবেন

ফর্দের সব জিনিস জোগাড় না হলেও চিন্তার কিছু নেই। যা আছে তা দিয়েই পূজা সম্পূর্ণ হয়; কোনো উপচার না পেলে মনে মনে নিবেদন করা যায়, একে মানস পূজা বলে, আর তা গ্রহণযোগ্য বলেই মানা হয়।

  • কাঁঠালি কলা না পেলে একটি হরীতকী; প্রচলিত বিধিতে দুটির যেকোনো একটি চলে।
  • গঙ্গাজল না থাকলে পরিষ্কার জল।
  • প্রতিমা বা সরা না পেলে ঘট বা দেবীর ছবিতেই পূজা হয়।
  • পুরোহিত না পেলে নিজেরাই পূজা করতে পারেন। প্রচলিত রীতিতে কোজাগরী মূলত বাড়ির মেয়েদের স্ত্রী-আচার, পুরোহিত অপরিহার্য নয়। ধাপগুলো আছে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার নিয়ম ও পদ্ধতি লেখায়।
  • সংস্কৃত মন্ত্র না জানলে বাংলায় অর্থ বলে ভক্তিভরে নিবেদন করলেও পূজা সম্পূর্ণ। মন্ত্র ও অর্থ: লক্ষ্মী পূজার মন্ত্র অর্থসহ।

প্রশ্নোত্তর

লক্ষ্মী পূজায় কলা কি লাগে?

প্রচলিত বিধিতে ঘটের ওপর একটি কাঁঠালি কলা বা একটি হরীতকী রাখা হয়, আর পাঁচ রকম ফলের মধ্যেও কলা থাকে। কোনো শাস্ত্র বা পঞ্জিকায় কলা নিষেধের কথা পাওয়া যায়নি; পরিবারে কলা না দেওয়ার রীতি থাকলে সেটা মানতে পারেন। বিস্তারিত: লক্ষ্মী পূজায় কলা লাগে না কেন।

তুলসী কি লাগে?

লাগে, তবে দেবীর জন্য নয়। দুটি তুলসীপাতা রাখা হয় নারায়ণকে দেওয়ার জন্য; লক্ষ্মীর ঘটে তুলসী দেওয়া হয় না। এটি প্রচলিত লোকাচার।

ঘণ্টা কি কিনতে হবে?

না। লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা বা কাঁসর বাজানো হয় না; শাঁখ বাজে আর উলুধ্বনি হয়। এটিও প্রচলিত লোকাচার।

স্টিলের থালায় নৈবেদ্য দেওয়া যায়?

প্রচলিত লোকাচারে লক্ষ্মীপূজায় লোহা বা স্টিলের পাত্র এড়ানো হয়, কারণ লোহাকে অলক্ষ্মীর সঙ্গে জড়ানো হয়। কলাপাতা, মাটি বা তামার পাত্রে নৈবেদ্য সাজান।

বৃহস্পতিবারের লক্ষী পূজায় কি একই ফর্দ লাগে?

সাপ্তাহিক পূজায় ছোট ফর্দটুকুই যথেষ্ট: ঘট, আমপল্লব, ধান, সিঁদুর, ফুল, দূর্বা, নারায়ণের তুলসী, কলা বা হরীতকী, ধূপ, প্রদীপ আর বাতাসা, ফল বা নাড়ুর নৈবেদ্য। আমপল্লব সাধারণত প্রতি সপ্তাহে বদলানো হয়। দেখুন প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মী পূজার নিয়ম।

২০২৬ সালে পূজা কবে, কেনাকাটা কখন সারবেন?

২০২৬ সালে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ৭ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬)। বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা মতে প্রদোষে পূজার সময় বাংলাদেশ সময়ে সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিট থেকে ৭টা ৭ মিনিট। পঞ্জিকায় সময় ভারতীয় সময়ে ছাপা; বাংলাদেশ সময়ে ৩০ মিনিট যোগ করে দেওয়া হলো। আপনার মন্দির বা পরিবার যে পঞ্জিকা মানে, সেই মতে পুরোহিতের কাছে সময় মিলিয়ে নিন।

রবিবার বাংলাদেশে কর্মদিবস; সরকারি তালিকায় দিনটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐচ্ছিক ছুটি। তাই শুকনো জিনিস আগের দিন, শনিবারেই কিনে রাখুন, আর ফুল, দূর্বা ও আমপল্লব পূজার দিন দুপুরের মধ্যে। পূর্ণিমা কখন লাগবে, দেখুন কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ২০২৬: তারিখ ও সময়।

এই বিষয়ে আরও পড়ুন

সূত্র

  • বেণীমাধব শীলের ফুল পঞ্জিকা, সন ১৪৩৩, পৃষ্ঠা ২০০–২০১: ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) প্রদোষে শ্রীশ্রীকোজাগরীলক্ষ্মী পূজা; রাতে নারকেলসহ চিঁড়া, নারকেলের জল ও অক্ষক্রীড়ায় রাত জাগা (ছাপা পঞ্জিকা, সময় ভারতীয় সময়ে)।
  • রাধাকান্ত দেব, শব্দকল্পদ্রুম, “কোজাগর”: অনলাইন সংস্করণ (কোলন বিশ্ববিদ্যালয়)
  • বাংলাপিডিয়া, লক্ষ্মীর সরা: Laksmi Pata
  • পুরোহিত ছাড়া স্ত্রী-আচারে কোজাগরী পূজা: আজতক বাংলা, ২০২১
  • লক্ষ্মীপূজায় ঘণ্টা না বাজানো ও অন্যান্য নিয়ম: সংবাদ প্রতিদিন
  • সরকারি ছুটির তালিকা ২০২৬: আজকের পত্রিকা
  • ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা: আইটিভি বিডি, ৭ অক্টোবর ২০২৬

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার ফর্দ পরিবার ও অঞ্চলভেদে আলাদা হয়। নিজের পরিবারের রীতি আর পুরোহিতের পরামর্শই আগে।

Leave a Comment

Please login to leave a comment.

0 Comments

No comments yet. Be the first to comment!