মূল বিষয়বস্তুতে যান
কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ২০২৬: তারিখ, পূর্ণিমা তিথি ও পূজার সময় (বাংলাদেশ সময়ে)
তথ্য উপাত্ত

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ২০২৬: তারিখ, পূর্ণিমা তিথি ও পূজার সময় (বাংলাদেশ সময়ে)

দদেব দেবাশীষ
১৪ অক্টোবর ২০২৬
৮ মিনিট পড়া
০

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা ২০২৬ হবে ৭ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬)। বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা মতে পূর্ণিমা লাগবে সেদিন সকাল ১১টা ২৯ মিনিটে, ছাড়বে ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। পূজার সময় প্রদোষে, সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিট থেকে ৭টা ৭ মিনিট। পঞ্জিকায় সময় ভারতীয় সময়ে ছাপা; বাংলাদেশ সময়ে ৩০ মিনিট যোগ করে দেওয়া হলো।

এই লেখার সব সময় বাংলাদেশ সময়ে। বাংলাদেশের ঘড়ি ভারতের ঘড়ির চেয়ে ৩০ মিনিট এগিয়ে, তাই কলকাতার পঞ্জিকায় ছাপা সময়ের সঙ্গে ৩০ মিনিট যোগ করলে বাংলাদেশ সময় পাওয়া যায়। যেখানে পঞ্জিকার ছাপা সময়ও দেখানো হয়েছে, তার পাশে “ভারতীয় সময়” লেখা আছে। মন্দিরবিডি পঞ্জিকা ও দৃক্‌ গণনার সময় ঢাকার জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সময়ে হিসাব করা; সেগুলোর সঙ্গে কিছু যোগ করবেন না।

এক নজরে কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ২০২৬

  • তারিখ: ৭ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬)
  • পূর্ণিমা, বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা মতে: ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা ২৯ মিনিট থেকে ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২০ মিনিট
  • পূর্ণিমা, দৃক্‌ গণনা মতে (মন্দিরবিডি পঞ্জিকা, ঢাকা): ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২৬ মিনিট থেকে ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১১ মিনিট
  • লক্ষ্মীপূজার সময় (প্রদোষ), বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা মতে: ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিট থেকে ৭টা ৭ মিনিট
  • নিশীথকাল (ঢাকা, দৃক্‌ গণনা): ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) রাত ১১টা ১৭ মিনিট থেকে দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিট
  • সরকারি ছুটি: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি

তালিকায় বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকার সময়গুলো ছাপা ভারতীয় সময়ের সঙ্গে ৩০ মিনিট যোগ করে দেওয়া; দৃক্‌ গণনার সময় সরাসরি বাংলাদেশ সময়ে। তারিখ পঞ্জিকা মতে দেওয়া, কারণ পূজা চলে পঞ্জিকার তিথি মেনে। বাংলাদেশের জাতীয় বর্ষপঞ্জিতে দিনটি ৯ কার্তিক।

কোজাগরী পূর্ণিমা তিথি কখন লাগবে, কখন ছাড়বে

বাংলাদেশে দুই রকম গণনার পঞ্জিকা চলে। দুটোর সময় নিচে আলাদা করে দেওয়া হলো।

প্রচলিত গণনা: বেণীমাধব শীলের ফুল পঞ্জিকা

  • পূর্ণিমা লাগবে: ৭ কার্তিক, রবিবার (২৫ অক্টোবর), সকাল ১১টা ২৯ মিনিটে। পঞ্জিকায় চতুর্দশী শেষের সময় ছাপা সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট (ভারতীয় সময়)।
  • পূর্ণিমা ছাড়বে: ৮ কার্তিক, সোমবার (২৬ অক্টোবর), সকাল ১০টা ২০ মিনিটে। পঞ্জিকায় ছাপা সকাল ৯টা ৫০ মিনিট (ভারতীয় সময়)।

পঞ্জিকাটি কলকাতা থেকে ভারতীয় সময়ে ছাপা। বাংলাদেশের মন্দিরগুলো ছাপা সময়ের সঙ্গে ৩০ মিনিট যোগ করে মানে; দুর্গাপূজার নির্ঘণ্টেও মন্দিরবিডি একই নিয়ম মেনেছে।

দৃক্‌ গণনা: মন্দিরবিডি পঞ্জিকা (ঢাকা)

  • পূর্ণিমা লাগবে: ৭ কার্তিক, রবিবার (২৫ অক্টোবর), দুপুর ১২টা ২৬ মিনিটে।
  • পূর্ণিমা ছাড়বে: ৮ কার্তিক, সোমবার (২৬ অক্টোবর), সকাল ১০টা ১১ মিনিটে।

এই সময় ঢাকার জন্য সরাসরি বাংলাদেশ সময়ে হিসাব করা; এর সঙ্গে আর ৩০ মিনিট যোগ করবেন না। দৃক্‌ পঞ্চাঙ্গ ওয়েবসাইটের ঢাকার হিসাবের সঙ্গে এটি দুই মিনিটের মধ্যে মেলে। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত এই গণনার পঞ্জিকা; সেটিও ভারতীয় সময়ে ছাপা, তাই তার সময়ে ৩০ মিনিট যোগ করে মেলালে এক-দুই মিনিট তফাত থাকতে পারে।

দুই গণনায় পূর্ণিমা শুরুর সময়ে প্রায় এক ঘণ্টার তফাত, শেষের সময়ে ৯ মিনিটের। তবে দুই মতেই ৭ কার্তিকের (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ও পুরো রাত পূর্ণিমা থাকে, তাই পূজার দিন নিয়ে দ্বিমত নেই। আপনার মন্দির বা পরিবার যে পঞ্জিকা মানে, সেটিই মানুন; প্রয়োজনে পুরোহিতকে জিজ্ঞেস করুন।

লক্ষ্মীপূজার সময়: প্রদোষ ও নিশীথ

বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকায় ৭ কার্তিকের (২৫ অক্টোবর) পাতায় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার বিধান প্রদোষে, অর্থাৎ সূর্যাস্তের ঠিক পরের সময়ে।

  • বাংলাদেশ সময়ে: সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিট থেকে ৭টা ৭ মিনিট।
  • পঞ্জিকায় ছাপা (ভারতীয় সময়): “সন্ধ্যা ঘ ৫।১ গতে রাত্রি ঘ ৬।৩৭ মধ্যে”, অর্থাৎ বিকেল ৫টা ১ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিট।

পঞ্জিকার প্রদোষ কলকাতার সূর্যাস্ত ধরে হিসাব করা। সেদিন কলকাতায় সূর্যাস্ত বাংলাদেশ সময়ে সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিটে (পঞ্জিকায় ছাপা বিকেল ৫টা ১ মিনিট, ভারতীয় সময়), আর এখানে প্রদোষ মানে সূর্যাস্তের পরের প্রায় ৯৬ মিনিট, অর্থাৎ দুই মুহূর্ত। ঢাকায় সেদিন সূর্যাস্ত বিকেল ৫টা ২৪ মিনিটে, তাই সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিট পড়ে ঢাকার সূর্যাস্তের কয়েক মিনিট পরেই। দুই গণনাতেই এই সময়ে পূর্ণিমা থাকে। একই সময়ে শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ ব্রতের বিধানও ছাপা আছে; অনেক পরিবার দুটোই করেন।

পূজা প্রদোষে শেষ হলেও রাতটি জেগে কাটানোর বিধান আছে। নামটিও এসেছে “কো জাগর্তি?”, মানে “কে জেগে আছ?” থেকে; প্রচলিত বিশ্বাস, এই পূর্ণিমার রাতে লক্ষ্মী জিজ্ঞেস করেন কে জেগে আছে। পঞ্জিকায় এদিনের পাতায় পূর্ণিমার নিশিপালনের কথা আছে, আর আছে রাতের কোজাগরকৃত্য: নারকেলসহ চিঁড়া খাওয়া, নারকেলের জল পান, আর অক্ষক্রীড়া বা পাশা খেলে রাত জাগা। এগুলো শাস্ত্রীয় রীতি। পাশা খেলা হয় পরিবারের মধ্যে আনন্দের জন্য, কখনো টাকা বাজি রেখে নয়। এই রাতের মূল শাস্ত্রীয় শ্লোক অর্থসহ আছে মন্ত্রের লেখায়।

কিছু পরিবারে মাঝরাতে, নিশীথকালে লক্ষ্মীর পূজা করার রীতি আছে; এটি পারিবারিক রীতি। দৃক্‌ পঞ্চাঙ্গের ঢাকার হিসাবে নিশীথকাল ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) রাত ১১টা ১৭ মিনিট থেকে দিবাগত রাত ১২টা ৮ মিনিট। এই সময় সরাসরি বাংলাদেশ সময়ে, এর সঙ্গে কিছু যোগ করতে হবে না। এটি দৃক্‌ গণনার হিসাব; বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকায় এই সময় ছাপা নেই।

লক্ষ্মীপূজা কেন ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) রাতে, ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) নয়

মন্দিরবিডি পঞ্জিকায় ৮ কার্তিককে (২৬ অক্টোবর) পূর্ণিমার দিন দেখানো হয়েছে। কোনো দিনের তিথি ধরা হয় সূর্যোদয়ের সময় কোন তিথি চলছে তা দেখে, আর ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) সূর্যোদয়ের সময় পূর্ণিমা থাকে। মন্দিরবিডি পঞ্জিকার ৭ কার্তিকের (২৫ অক্টোবর) পাতায় দেখবেন, পূর্ণিমা লাগছে সেদিন দুপুরে।

কিন্তু কোজাগরী রাতের ব্রত। পূজা হয় প্রদোষে, তারপর রাত জাগা; তাই যে রাতে পূর্ণিমা থাকে, সেই রাতেই এটি পালন করা হয়। ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে সারা রাত পূর্ণিমা থাকে। ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার কিছু পরেই পূর্ণিমা ছেড়ে যায়, ফলে সেদিন সন্ধ্যায় আর পূর্ণিমা থাকে না। প্রচলিত ও দৃক্‌, দুই গণনাই তাই ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) তারিখে একমত।

কোথাও ২৪ বা ২৬ অক্টোবর কেন লেখা

কিছু জায়গায় ২৪ বা ২৬ অক্টোবর লেখা দেখা যাচ্ছে। কারণগুলো এরকম:

  • ২৬ অক্টোবর: সূর্যোদয়ের নিয়মে দিনের তিথি ধরলে ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর) পূর্ণিমার দিন। কিন্তু কোজাগরী রাতের পূজা, আর ৮ কার্তিকের (২৬ অক্টোবর) রাতে পূর্ণিমা থাকে না।
  • ২৪ অক্টোবর: এই তারিখ পঞ্জিকার সঙ্গে মেলে না। ৬ কার্তিকের (২৪ অক্টোবর) রাতে চতুর্দশী চলে; পূর্ণিমা লাগে পরদিন, ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর)।
  • শেষ রাত পর্যন্ত পূজার সময়: কোথাও পূজার সময় “রাত্রি ঘ ৩।৩৭” পর্যন্ত লেখা দেখা যায়। পঞ্জিকায় ছাপা আছে “রাত্রি ঘ ৬।৩৭”। পঞ্জিকা সূর্যাস্তের পরের সময়কে “রাত্রি” বলে, তাই এর মানে বাংলাদেশ সময়ে সন্ধ্যা ৭টা ৭ মিনিট (ছাপা সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিট, ভারতীয় সময়)। পূজা প্রদোষেই; সারা রাত জেগে থাকা আলাদা রীতি।

নিশ্চিত হতে নিজের পঞ্জিকার ৭ কার্তিকের পাতা দেখুন, বা পুরোহিতকে জিজ্ঞেস করুন।

লক্ষ্মীপূজায় বাংলাদেশে ছুটি আছে কি?

সরকারের ২০২৬ সালের ছুটির তালিকায় শ্রীশ্রী লক্ষ্মী পূজা, ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) রবিবার, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে আছে। এটি সাধারণ ছুটি নয়, আর বাংলাদেশে রবিবার কর্মদিবস। যাঁরা দিনটি ছুটি নিতে চান, আগে থেকে অফিসে জানিয়ে রাখুন।

ঢাকেশ্বরী ও অন্যান্য মন্দিরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা

শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের ২০২৬ সালের অনুষ্ঠানসূচিতে ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা রাখা আছে। ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনেও এই পূজা হয়। আগের বছরগুলোতে রমনা কালী মন্দির, শাঁখারীবাজার ও তাঁতীবাজারের মন্দিরেও পূজার খবর পাওয়া গেছে।

মন্দিরে পূজা কখন শুরু হবে, তা মন্দির কর্তৃপক্ষ জানাবে; যাওয়ার আগে খোঁজ নিয়ে নিন। কোজাগরী মূলত ঘরের পূজা; প্রথা অনুযায়ী বাড়ির মেয়েরা এই পূজা করেন (প্রচলিত লোকাচার)। উৎসবের সব তথ্য একসঙ্গে পাবেন মন্দিরবিডির লক্ষ্মীপূজার পাতায়।

প্রশ্নোত্তর

কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা ২০২৬ কবে?

পঞ্জিকা মতে ৭ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬)।

কোজাগরি পূর্ণিমা কখন লাগবে?

বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা মতে ৭ কার্তিক (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা ২৯ মিনিটে (ছাপা সকাল ১০টা ৫৯ মিনিট, ভারতীয় সময়), দৃক্‌ গণনায় দুপুর ১২টা ২৬ মিনিটে। পূর্ণিমা ছাড়বে ৮ কার্তিক (২৬ অক্টোবর): বেণীমাধব শীলের মতে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে (ছাপা সকাল ৯টা ৫০ মিনিট, ভারতীয় সময়), দৃক্‌ গণনায় সকাল ১০টা ১১ মিনিটে। সব সময় বাংলাদেশ সময়ে।

পঞ্জিকার সময়ের সঙ্গে কি ৩০ মিনিট যোগ করতে হবে?

পঞ্জিকা যদি ভারতীয় সময়ে ছাপা হয়, যেমন কলকাতার বেণীমাধব শীল বা বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত, তাহলে হ্যাঁ। এ বছর প্রদোষ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সময়ে সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিটে; পঞ্জিকায় তা ছাপা বিকেল ৫টা ১ মিনিট (ভারতীয় সময়)। এই লেখায় সেই যোগ আগেই করা আছে।

মন্দিরবিডি পঞ্জিকা আর দৃক্‌ গণনার সময় ঢাকার জন্য বাংলাদেশ সময়েই দেওয়া; সেখানে আর কিছু যোগ করবেন না।

পূর্ণিমা লাগলেই কি পূজা শুরু করা যায়?

পূর্ণিমা লাগার সময় আর পূজার সময় আলাদা। পঞ্জিকায় পূজার বিধান প্রদোষে, বাংলাদেশ সময়ে সন্ধ্যা ৫টা ৩১ মিনিট থেকে ৭টা ৭ মিনিট (ছাপা বিকেল ৫টা ১ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩৭ মিনিট, ভারতীয় সময়)। পরিবারে অন্য সময়ের রীতি থাকলে পুরোহিতের পরামর্শ নিন।

পুরোহিত না পেলে কি নিজে পূজা করা যায়?

যায়। কোজাগরী মূলত ঘরের পূজা, আর এতে পুরোহিত বাধ্যতামূলক নয়। ধাপগুলো পাবেন নিয়ম ও পদ্ধতির লেখায়, মন্ত্র পাবেন অর্থসহ মন্ত্রের লেখায়।

২০২৭ সালে লক্ষ্মী পুজো কবে?

২০২৭ সালের তারিখ পঞ্জিকা প্রকাশের পর জানানো হবে।

এই বিষয়ে আরও পড়ুন

সূত্র

পঞ্জিকার সময় স্থানভেদে সামান্য বদলাতে পারে। চূড়ান্ত সময় নিজের মন্দির ও পুরোহিতের কাছে মিলিয়ে নিন।

মতামত দিন

মতামত দিতে লগইন করুন।

0 টি মতামত

কোনো মতামত নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!