মূল বিষয়বস্তুতে যান
সব দেবদেবী

দুর্গা

দেবী দুর্গা হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান এবং সর্বাধিক পূজিত দেবী। তিনি পরম নারীশক্তি বা আদি পরাশক্তি হিসেবে পরিচিত, যিনি শক্তি, সুরক্ষা এবং ঐশ্বরিক মাতৃত্বের প্রতীক। দুর্গা সাধারণত দশভূজা বা বহু হাত বিশিষ্ট দেবী হিসেবে চিত্রিত হন, যিনি একটি সিংহ বা বাঘের পিঠে চড়েন, যা তার শক্তি, ইচ্ছা এবং সংকল্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রকাশ করে। তার প্রতিটি হাতে বিভিন্ন দেবতাদের দেওয়া বিশেষ অস্ত্র থাকে, যা মন্দ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্মিলিত ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক। মহিষাসুর নামক মহিষ-দানবকে বধ করার জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিত, যা অধর্মের ওপর ধর্মের এবং মন্দের ওপর ভালোর বিজয়ের প্রতীক। দুর্গা কেবল একজন যোদ্ধা দেবীই নন, তিনি একজন পরম করুণাময়ী মা যিনি তার ভক্তদের ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন এবং তাদের আধ্যাত্মিক মুক্তির দিকে পরিচালিত করেন। দুর্গাপূজা এবং নবরাত্রির মতো প্রধান উৎসবগুলোর মাধ্যমে তার পূজা অত্যন্ত ভক্তি, সাংস্কৃতিক মহিমা এবং আচার-অনুষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয়। এই উৎসবগুলোর মাধ্যমে ভক্তরা তার বিভিন্ন রূপের পূজা করেন, যা নবদুর্গা নামে পরিচিত এবং যা তার কোমল উদারতা থেকে শুরু করে ভয়անակ সুরক্ষামূলক রূপের বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। দেবীভাগবত পুরাণ এবং দেবী মাহাত্ম্যের মতো হিন্দু ধর্মগ্রন্থে তার উপস্থিতি মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি রক্ষাকারী চূড়ান্ত মহাজাগতিক শক্তি হিসেবে তার ভূমিকাকে তুলে ধরে।

২১টি মন্দিরদুর্গাপূজামহাষ্টমীনীল পদ্ম
দুর্গা

এক নজরে

পরিচয়

বাহন

সোমনন্দী

অস্ত্র

ত্রিশূল, সুদর্শন চক্র, শঙ্খ, গদা, ধনু ও বাণ, বজ্র, তরবারি, পদ্ম, বর্শা

সঙ্গী

শিব

পূজা ও উপাসনা

প্রধান উৎসব

দুর্গাপূজা

পূজার দিন

মহাষ্টমী

পবিত্র ফুল

নীল পদ্ম

পবিত্র রঙ

লাল

পরিচিতি

দেবী দুর্গা হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান এবং সর্বাধিক পূজিত দেবী। তিনি পরম নারীশক্তি বা আদি পরাশক্তি হিসেবে পরিচিত, যিনি শক্তি, সুরক্ষা এবং ঐশ্বরিক মাতৃত্বের প্রতীক। দুর্গা সাধারণত দশভূজা বা বহু হাত বিশিষ্ট দেবী হিসেবে চিত্রিত হন, যিনি একটি সিংহ বা বাঘের পিঠে চড়েন, যা তার শক্তি, ইচ্ছা এবং সংকল্পের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রকাশ করে। তার প্রতিটি হাতে বিভিন্ন দেবতাদের দেওয়া বিশেষ অস্ত্র থাকে, যা মন্দ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্মিলিত ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক। মহিষাসুর নামক মহিষ-দানবকে বধ করার জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিত, যা অধর্মের ওপর ধর্মের এবং মন্দের ওপর ভালোর বিজয়ের প্রতীক। দুর্গা কেবল একজন যোদ্ধা দেবীই নন, তিনি একজন পরম করুণাময়ী মা যিনি তার ভক্তদের ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন এবং তাদের আধ্যাত্মিক মুক্তির দিকে পরিচালিত করেন। দুর্গাপূজা এবং নবরাত্রির মতো প্রধান উৎসবগুলোর মাধ্যমে তার পূজা অত্যন্ত ভক্তি, সাংস্কৃতিক মহিমা এবং আচার-অনুষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হয়। এই উৎসবগুলোর মাধ্যমে ভক্তরা তার বিভিন্ন রূপের পূজা করেন, যা নবদুর্গা নামে পরিচিত এবং যা তার কোমল উদারতা থেকে শুরু করে ভয়անակ সুরক্ষামূলক রূপের বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। দেবীভাগবত পুরাণ এবং দেবী মাহাত্ম্যের মতো হিন্দু ধর্মগ্রন্থে তার উপস্থিতি মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি রক্ষাকারী চূড়ান্ত মহাজাগতিক শক্তি হিসেবে তার ভূমিকাকে তুলে ধরে।

পৌরাণিক কাহিনি

দেবী দুর্গার পৌরাণিক কাহিনী প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থে বিশেষভাবে মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত 'দেবী মাহাত্ম্যম' বা শ্রীশ্রীচণ্ডীতে বর্ণিত হয়েছে। এই পবিত্র গ্রন্থ অনুসারে, দেবী দুর্গার সৃষ্টি ছিল ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং শিবসহ অন্যান্য স্বর্গীয় দেবতাদের সম্মিলিত শক্তির বহিঃপ্রকাশ। মহিষাসুর নামক এক অপরাজেয় অসুর রাজার কারণে মহাবিশ্ব চরম সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল, যে বর পেয়েছিল যে কোনো পুরুষ বা দেবতা তাকে পরাজিত করতে পারবে না। এই ক্ষমতার অহংকারে মত্ত হয়ে সে স্বর্গলোক জয় করে এবং দেবতাদের তাদের স্বর্গীয় বাসস্থান থেকে বিতাড়িত করে। দেবতারা বুঝতে পেরেছিলেন যে কেবল একজন নারী যোদ্ধাই এই অসুরকে বধ করতে পারেন। তাই তারা তাদের অভ্যন্তরীণ আধ্যাত্মিক তেজ একত্রিত করে এক পরম দেবীর সৃষ্টি করেন। এই দীপ্তিময় আলো থেকে দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে, যিনি ছিলেন পরম রূপবতী, শক্তিশালী এবং সাহসী। চূড়ান্ত যুদ্ধের জন্য তাকে প্রস্তুত করতে শিব তার ত্রিশূল, বিষ্ণু তার চক্র, ব্রহ্মা তার কমণ্ডলু, ইন্দ্র তার বজ্র এবং অন্যান্য দেবতারা তাদের সেরা অস্ত্র ও অলঙ্কার প্রদান করেন। এই সমস্ত ঐশ্বরিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এবং একটি হিংস্র সিংহের পিঠে চড়ে দুর্গা যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে যাত্রা করেন। সেখানে এক ভয়াবহ মহাজাগতিক যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে মাটিতে চেপে ধরে তার ত্রিশূল দিয়ে আঘাত করেন, যার ফলে তিনি 'মহিষাসুরমর্দিনী' বা মহিষাসুর বধকারী নামে ভূষিত হন।

মন্ত্র

সর্বমঙ্গলমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি নমোঽস্তু তে॥ (অর্থ: হে দেবী, তুমি সর্বমঙ্গলের মঙ্গলস্বরূপা, কল্যাণদায়ী, সমস্ত পুরুষার্থ সাধনকারিণী, শরণাগতের রক্ষয়িত্রী, ত্রিনয়না গৌরী ও নারায়ণী, তোমাকে প্রণাম জানাই।)

পালনীয় দিন

সম্পর্কিত উৎসব

এখনো কোনো উত্তর নেই

এই বিষয়ে প্রশ্ন করুন →

মন্দির ডিরেক্টরি

দুর্গা-এর মন্দিরসমূহ

দুর্গা-এর সঙ্গে যুক্ত যাচাইকৃত MandirBD মন্দির প্রোফাইল ফিল্টার করুন।

২১টি তালিকাভুক্ত

খুঁজুন ও ফিল্টার করুন

যাচাইকৃত

আগারগাঁও তালতলা সার্বজনীন পূজা মন্দির

ঢাকাশিব, দুর্গা
যাচাইকৃত

আদিনাথ মন্দির

কক্সবাজারশিব, দুর্গা, গণেশ

ঈশ্বর মনি কুঠির,সাহা বাড়ি

জামালপুরদুর্গা

উত্তর চন্দ্র দাস পাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির

গাইবান্ধাকালী, দুর্গা
ঐতিহ্যযাচাইকৃত

উলপুর সার্বজনীন শ্রী শ্রী কালী মাতার মন্দির

গোপালগঞ্জদুর্গা, শিব, কালী

ওঝাপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির,পঞ্চগ্রাম, লালমনিরহাট সদর

লালমনিরহাটদুর্গা
ঐতিহ্যযাচাইকৃত

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির

ঢাকাদুর্গা, শিব

নন্দলালপুর শ্রী শ্রী রাধারমন মন্দির

কুষ্টিয়াদুর্গা
যাচাইকৃত

নলচিড়া নিম্ন নবদ্বীপ শ্রী শ্রী হরি ও দুর্গা মন্দির

বরিশালবিষ্ণু, দুর্গা

বাণী তীর্থ গ্রন্থাগারের পূজা মন্দির

টাঙ্গাইলদুর্গা, কালী
ঐতিহ্যযাচাইকৃত

বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম

নারায়ণগঞ্জদুর্গা, শিব

ভীমরুলী সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালি মন্দির

ঝালকাঠিশ্রী কৃষ্ণ, দুর্গা

স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিন

আমাদের ডিজিটাল ঐতিহ্য রক্ষায় সাহায্য করুন। আপনার এলাকার মন্দিরের তথ্য, ছবি বা পঞ্জিকা আপডেট করে আমাদের সাথে যুক্ত হোন।

আবেদন করুন

সাধারণ প্রশ্ন

দুর্গা-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্দির কীভাবে নির্ধারিত হয়?

কোনো মন্দিরের যাচাইকৃত আরাধনা, বিগ্রহ, উপাসনা বা কমিউনিটি তথ্যের অংশ হলে MandirBD সেটিকে দুর্গা-এর সঙ্গে যুক্ত করে।

MandirBD কি দুর্গা-এর আধ্যাত্মিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে?

তথ্য থাকলে পেজে দুর্গা-এর বর্ণনা, পৌরাণিক কাহিনি, পূজা প্রেক্ষাপট, উৎসব ও সংশ্লিষ্ট মন্দির লিংক থাকে।

দেবদেবীর তথ্য আপডেট করা যায়?

হ্যাঁ। স্বেচ্ছাসেবক ও মডারেটররা রিভিউয়ের পর দেবদেবীর বর্ণনা, সংশ্লিষ্ট মন্দির লিংক ও সহায়ক তথ্য উন্নত করতে পারেন।