মূল বিষয়বস্তুতে যান
শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির, ধামরাই, ধামরাই পৌরসভা, ঢাকা

শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির, ধামরাই, ধামরাই পৌরসভা, ঢাকা

Sri Sri Yashomadhab Temple, Dhamrai

অন্য নামে পরিচিত: ধামরাই রথখোলা মন্দির, মাধব বাড়ি, ধামরাই

c.প্রতিষ্ঠিত1672০বার দেখা হয়েছে
দিকনির্দেশনা

দর্শনের আগে

ধামরাই পৌরসভা, ঢাকা

তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ ৬ নভে ২০২৬

বিবরণ

ঢাকার অদূরে ধামরাই পৌরসভার কায়েতপাড়া (রথখোলা) এলাকায় অবস্থিত শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন বৈষ্ণব তীর্থক্ষেত্র। উপমহাদেশের বিখ্যাত ও চারশো বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ‘ধামরাই রথযাত্রা’ এই মন্দির ও শ্রীশ্রী যশোমাধব বিগ্রহকে কেন্দ্র করেই অনুষ্ঠিত হয়। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা দ্বিতীয়া তিথিতে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগমে তিনতলা বিশিষ্ট সুউচ্চ ও কারুকার্যময় রথে চড়িয়ে শ্রীশ্রী যশোমাধব বিগ্রহকে কায়েতপাড়ার মূল মন্দির থেকে যাত্রাবাড়ীর মাসির বাড়ি (শ্বশুরালয়) মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং নয় দিন পর উল্টোরথে পুনরায় মূল মন্দিরে ফিরিয়ে আনা হয়। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘ধামরাই রথ’ কবিতায় এই ঐতিহ্যের অনন্য বিবরণ রয়েছে।

ইতিহাস

জনশ্রুতি অনুসারে, পাল বংশের শেষ রাজা যশোপাল ধামরাইয়ের নিকটবর্তী মাটির ঢিবি খনন করে বিষ্ণু-মাধব বিগ্রহ উদ্ধার করেন এবং পণ্ডিত রামজীবন রায় মৌলিককে বিগ্রহ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব দেন; রাজা যশোপালের নামানুসারেই বিগ্রহের নাম হয় ‘শ্রীশ্রী যশোমাধব’। ধামরাই উপজেলা সরকারি তথ্য বাতায়ন ও ঐতিহাসিক বিবরণ মতে, বাংলা ১০৭৯ সনে (১৬৭২ খ্রিস্টাব্দে) রথযাত্রা ও মন্দিরের আনুষ্ঠানিক প্রচলন শুরু হয়। পরবর্তীতে বালিয়াটির জমিদারগণ এবং ১৯৪৩ সালে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা রথ ও মন্দির পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ৭৫ ফুট উচ্চতার প্রাচীন ঐতিহাসিক কাঠের রথটি পুড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ভারত সরকারের সহযোগিতায় পুরোনো রথের আদলে ৪০ ফুট উচ্চতার কারুকার্যময় নতুন রথ নির্মাণ করা হয়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা (গাবতলী বা গুলিস্তান) থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক পথে বাসে ধামরাই ঢুলিভিটা বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকশা বা অটোরিকশাযোগে ধামরাই বাজারের কায়েতপাড়া (রথখোলা) শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দিরে যাওয়া যায়।

দেবতাগণ

ভ্রমণ তথ্য

প্রবেশ মূল্যফ্রি
ফটো অনুমতিহ্যাঁ
জুতা রাখার ব্যবস্থা
হুইলচেয়ার সুবিধা
যাওয়ার সেরা সময়প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত; বিশেষত আষাঢ় মাসে ঐতিহাসিক ধামরাই রথযাত্রা, উল্টোরথ ও মাসব্যাপী রথের মেলা চলাকালীন।
পূজার সময়সূচিনিত্যপূজা, ভোগরাগ ও সন্ধ্যা আরতি। প্রতি বছর আষাঢ় মাসে শ্রীশ্রী যশোমাধব দেবের রথযাত্রা, উল্টোরথ ও মাসব্যাপী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

অবস্থান ও মানচিত্র

দিকনির্দেশনা পান ↗

কায়েতপাড়া, রথখোলা, ধামরাই পৌরসভা, ঢাকা

এলাকাধামরাই পৌরসভা, ঢাকা
পাড়া/মহল্লাকায়েতপাড়া, রথখোলা
কাছের স্থানরথখোলা, কায়েতপাড়া, ধামরাই বাজার সংলগ্ন, ধামরাই, ঢাকা
পোস্ট কোড1350

ভিডিও

ধামরাইয়ের ৪০০ বছরের মন্দির | শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির | কায়েতপাড়া-পর্ব -৪ | Ancient Temple of Dhamrai

মতামত

এখনো কোনো উত্তর নেই

এই বিষয়ে প্রশ্ন করুন →

এই প্রোফাইলটি ৮০% সম্পূর্ণ

সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করুন

তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ ৬ নভে ২০২৬

এই তথ্য কি সঠিক?

স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যোগ দিন

আমাদের ডিজিটাল ঐতিহ্য রক্ষায় সাহায্য করুন। আপনার এলাকার মন্দিরের তথ্য, ছবি বা পঞ্জিকা আপডেট করে আমাদের সাথে যুক্ত হোন।

আবেদন করুন
স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হোন

নিবেদিত স্বেচ্ছাসেবক আবেদন স্বেচ্ছাসেবক ড্যাশবোর্ড থেকে করা যায়।

খোলার সময়

এখনো খোলার সময় যোগ করা হয়নি।

অ্যাপে এই মন্দির

মন্দিরটি সঙ্গে রাখুন, এক ছোঁয়ায় আবার খুঁজে পান।

  • সেভ করুন, গেলে চেক-ইন করুন
  • আরতি আর প্রসাদের সময় এক নজরে
  • দৈনিক পঞ্জিকা ও উৎসবের বার্তা
ডাউনলোড করুনGoogle Play

সাধারণ প্রশ্ন

শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির, ধামরাই কোথায়?

শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির, ধামরাই-এর ঠিকানা: কায়েতপাড়া, রথখোলা, ধামরাই পৌরসভা, ঢাকা।

শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির, ধামরাই-এর কাছে পরিচিত জায়গা কোনটি?

সবচেয়ে কাছের পরিচিত জায়গা: রথখোলা, কায়েতপাড়া, ধামরাই বাজার সংলগ্ন, ধামরাই, ঢাকা।

শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির, ধামরাই-এ কোন দেবদেবীর পূজা হয়?

এখানে পূজিত দেবদেবী: শ্রী কৃষ্ণ, জগন্নাথ।